এফএএসের প্রতিবেদন

রেকর্ড শস্য উৎপাদনের পথে চীন

শস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের প্রচেষ্টায় সফল হতে চলেছে চীন। ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে রেকর্ড শস্য উৎপাদনের পথে রয়েছে দেশটি।

শস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের প্রচেষ্টায় সফল হতে চলেছে চীন। ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে রেকর্ড শস্য উৎপাদনের পথে রয়েছে দেশটি। ফলে এ সময় আমদানিও উল্লেখযোগ্য হারে কমতে পারে। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস (এফএএস)। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইনডটকম।

এফএএসের অনুমান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে চীনের শস্য উৎপাদন ৭০ কোটি ৬৫ লাখ টনে পৌঁছতে পারে, যা গত বছরের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। এ সময় উৎপাদন বাড়ার পেছনে ভূমিকা রাখবে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ বৃদ্ধি ও উচ্চফলনশীল জাতের ব্যবহার।

এর আগে চীনের ন্যাশনাল ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকস জানায়, ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে ভুট্টার উৎপাদন গত বছরের তুলনায় ২ শতাংশ বেড়ে ২৯ কোটি ৪৯ লাখ টন হতে পারে। তবে এফএএস বলছে, এ পরিমাণ হতে পারে ২৯ কোটি ৩ লাখ টন পর্যন্ত।

যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনে সরকারিভাবে যে পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, তার তুলনায় ভুট্টা উৎপাদন অনেক কম হতে পারে। কারণ এরই মধ্যে নতুন ফসলের মধ্যে গুণগত মান খারাপ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

গত বছরের শেষে ভুট্টার দাম রেকর্ড নিম্নে নেমে গিয়েছিল। ফলে অভ্যন্তরীণ পশু খামার ও শিল্প খাতে ব্যবহার বাড়িয়েছে চীন। এফএএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ বিপণন বর্ষে চীনে পশুখাদ্য ও অন্যান্য খাতে শস্যটি ব্যবহারের পরিমাণ ২৮ কোটি ৭২ লাখ টনে পৌঁছতে পারে।

চীনে চলতি বিপণন বর্ষে গম উৎপাদন ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১৪ কোটি ১ লাখ টন হবে।

খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, চলতি বিপণন বর্ষে চীনে গমের গুণগত মান উন্নত ছিল। তবে উচ্চ প্রোটিনযুক্ত গমের সরবরাহ কম। এছাড়া দক্ষিণ হেনান ও উত্তর হুবেই অঞ্চলগুলো থেকে আসা গমে বিষাক্ততার পরিমাণ বেশি ছিল।’

চীনে ২০২৪-২৫ বর্ষে চাল উৎপাদন কিছুটা বেড়ে ১৪ কোটি ৫৩ লাখ টন হতে পারে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়ায় এ সময় ভুট্টা ও গম আমদানি যথাক্রমে ৪০ ও ৩৭ শতাংশ হ্রাস পাবে।

আরও